আজ ১৪ ই এপ্রিল মঙ্গলবার, কলকাতা রেড রোডের সংযোগস্থলে, বাবা সাহেব ডক্টর ভীমরাও আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্য দানের মধ্য দিয়ে ১৩৫ তম জন্মদিন পালন করলেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এবং অন্যান্য সংগঠনের তরফ থেকে।
ভীম রাও এর মূর্তিতে মাল্যদান করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, কমরেড বিমান বসু সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও নেতৃবৃন্দ।
সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনের মধ্য দিয়ে বাবাসাহে ব আম্বেদকর এর মূর্তির সামনে হাজির হন এবং জয় ভীম স্লোগানের মধ্য দিয়ে বাবা সাহেব কে সম্মান জানান। চলে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বাবা সাহেবে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তিতা তাহার কার্যধারা, দলিত সম্প্রদায়ের জন্য তিনি সংবিধানে কি কি করে গেছেন তা উল্লেখ করেন। কার সাথে সাথে বাবা সাহেবের অনুগামীরা অনুষ্ঠানের সামনে থেকে বই সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন।
তাহারা বলেন, আমরা সংবিধানকে নষ্ট হতে দেব না, এটা আমাদের অধিকার রক্ষা করার। বাবা সাহেব আমাদের দেশের সংবিধান রচনা করেছিলেন, সেই সংবিধানের ধারা অনুসরণ করেই আজকে ভারতে নির্বাচন সংঘটিত হয়, সরকার গঠন হয়, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, সংবিধান আমাদের পবিত্র গ্রন্থ,
বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য কিছু মৌলিক অধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন, যাতে ভারতের অখন্ডতা ধর্মনিরপেক্ষতা সমতার স্বপ্ন বজায় থাকে, কিন্তু আজ সেগুলিকে মাটিতে মিশিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে,
যাহার ফলে আমাদের দেশে দলিতদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে, আদিবাসীরা অত্যাচার থেকে ছাড় পাচ্ছে না। একদিকে বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও স্লোগান, অন্যদিকে মহিলাদের উপর অত্যাচার খুন ধর্ষন চলছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশেই দলিত আদিবাসী মহিলার উপর আক্রমণ বেড়েছে।
বাবা সাহেব বলতেন নিরক্ষতার অন্ধকার থেকে আলোতে আসো, বিশ্ব কে জানো, নিজের অধিকার সম্পর্কে ধারণা তৈরি কর। প্রতিষ্ঠিত করো নিজের অধিকার, প্রতিবাদ প্রতিরোধ করো। আর দেশের অখণ্ডতা প্রতিষ্ঠা করে জাতপাত বর্জিত ভারতবর্ষ গঠন করো
কেন্দ্রীয় সরকার বা আজকের রাজ্য সরকার কেউই সংবিধানের নিয়ম কানুন মানছে না, আম্বেদকর নির্দেশিত গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ধার ধারছে না, সংবিধানের দেওয়া সংরক্ষণ মানা হচ্ছে না বলে জানান। দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের পিছিয়ে মারার চেষ্টা করছেন বিভিন্নভাবে। আমাদের আজকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে, হাতে সংবিধান না পাল্টাতে পারে।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
আজ ১৪ ই এপ্রিল মঙ্গলবার, কলকাতা রেড রোডের সংযোগস্থলে, বাবা সাহেব ডক্টর ভীমরাও আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্য দানের মধ্য দিয়ে ১৩৫ তম জন্মদিন পালন করলেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এবং অন্যান্য সংগঠনের তরফ থেকে।
ভীম রাও এর মূর্তিতে মাল্যদান করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, কমরেড বিমান বসু সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও নেতৃবৃন্দ।
সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনের মধ্য দিয়ে বাবাসাহে ব আম্বেদকর এর মূর্তির সামনে হাজির হন এবং জয় ভীম স্লোগানের মধ্য দিয়ে বাবা সাহেব কে সম্মান জানান। চলে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বাবা সাহেবে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তিতা তাহার কার্যধারা, দলিত সম্প্রদায়ের জন্য তিনি সংবিধানে কি কি করে গেছেন তা উল্লেখ করেন। কার সাথে সাথে বাবা সাহেবের অনুগামীরা অনুষ্ঠানের সামনে থেকে বই সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন।
তাহারা বলেন, আমরা সংবিধানকে নষ্ট হতে দেব না, এটা আমাদের অধিকার রক্ষা করার। বাবা সাহেব আমাদের দেশের সংবিধান রচনা করেছিলেন, সেই সংবিধানের ধারা অনুসরণ করেই আজকে ভারতে নির্বাচন সংঘটিত হয়, সরকার গঠন হয়, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, সংবিধান আমাদের পবিত্র গ্রন্থ,
বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য কিছু মৌলিক অধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন, যাতে ভারতের অখন্ডতা ধর্মনিরপেক্ষতা সমতার স্বপ্ন বজায় থাকে, কিন্তু আজ সেগুলিকে মাটিতে মিশিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে,
যাহার ফলে আমাদের দেশে দলিতদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে, আদিবাসীরা অত্যাচার থেকে ছাড় পাচ্ছে না। একদিকে বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও স্লোগান, অন্যদিকে মহিলাদের উপর অত্যাচার খুন ধর্ষন চলছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশেই দলিত আদিবাসী মহিলার উপর আক্রমণ বেড়েছে।
বাবা সাহেব বলতেন নিরক্ষতার অন্ধকার থেকে আলোতে আসো, বিশ্ব কে জানো, নিজের অধিকার সম্পর্কে ধারণা তৈরি কর। প্রতিষ্ঠিত করো নিজের অধিকার, প্রতিবাদ প্রতিরোধ করো। আর দেশের অখণ্ডতা প্রতিষ্ঠা করে জাতপাত বর্জিত ভারতবর্ষ গঠন করো
কেন্দ্রীয় সরকার বা আজকের রাজ্য সরকার কেউই সংবিধানের নিয়ম কানুন মানছে না, আম্বেদকর নির্দেশিত গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ধার ধারছে না, সংবিধানের দেওয়া সংরক্ষণ মানা হচ্ছে না বলে জানান। দলিত সম্প্রদায়ের মানুষদের পিছিয়ে মারার চেষ্টা করছেন বিভিন্নভাবে। আমাদের আজকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে, হাতে সংবিধান না পাল্টাতে পারে।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

আপনার মতামত লিখুন