শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের চরশিধলকুড়া গ্রামের আকন বাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় এক তরুণীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) জনশান্তি ও জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের অভিযোগে পরিচালিত এ অভিযানে মো. ইদ্রিস হাওলাদার (২৫), পিতা- জয়নাল আবেদীন এবং সুমাইয়া (১৮), পিতা- সাত্তার ব্যাপারীকে আটক করা হয়।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ইদ্রিস হাওলাদার মাদক সেবনের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অপরদিকে সুমাইয়া দাবি করেন, তিনি কোনো মাদক সেবন করেননি। তার ব্যাগে পাওয়া গাঁজার পুরিয়া তার নয় এবং এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও জানান। তবে গাঁজা বহন সংক্রান্ত অভিযোগ মোবাইল কোর্টের বিচারিক এখতিয়ারের আওতায় না থাকায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে উপযুক্ত আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দুই অভিযুক্তের কাছ থেকে জব্দ করা গাঁজা আলামত হিসেবে সংরক্ষণের জন্য প্রসিকিউশন প্রদানকারী কর্মকর্তা ডামুড্যা থানার সাব-ইন্সপেক্টর খাইরুলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ডামুড্যা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুর রহমান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। তিনি জানান, মাদক ও জনশৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের চরশিধলকুড়া গ্রামের আকন বাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় এক তরুণীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) জনশান্তি ও জনশৃঙ্খলা বিনষ্টের অভিযোগে পরিচালিত এ অভিযানে মো. ইদ্রিস হাওলাদার (২৫), পিতা- জয়নাল আবেদীন এবং সুমাইয়া (১৮), পিতা- সাত্তার ব্যাপারীকে আটক করা হয়।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ইদ্রিস হাওলাদার মাদক সেবনের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অপরদিকে সুমাইয়া দাবি করেন, তিনি কোনো মাদক সেবন করেননি। তার ব্যাগে পাওয়া গাঁজার পুরিয়া তার নয় এবং এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও জানান। তবে গাঁজা বহন সংক্রান্ত অভিযোগ মোবাইল কোর্টের বিচারিক এখতিয়ারের আওতায় না থাকায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে উপযুক্ত আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দুই অভিযুক্তের কাছ থেকে জব্দ করা গাঁজা আলামত হিসেবে সংরক্ষণের জন্য প্রসিকিউশন প্রদানকারী কর্মকর্তা ডামুড্যা থানার সাব-ইন্সপেক্টর খাইরুলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ডামুড্যা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুর রহমান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। তিনি জানান, মাদক ও জনশৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন