সুনামগঞ্জের মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মাদক কারবারি রেজাউল জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে গেছে।
বুধবার বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর জয়নগর বাজার গেলে মোহনপুর গ্রামের চানফর আলীর ছেলে রেজাউল করিম সুযোগ বুঝে এএসআইয়ের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটি রেজাউল করিমকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে আসে। পরে মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারি ও মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মো. সেলিম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম সদর থানার ওসিসহ পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেন। এবং পুলিশের প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য রেজাউলের ইয়াবা সেবন ও বিক্রির জন্য নিয়ে আসা ইয়াবার বড় চালানের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তার ইয়াবা কারবারের বিষয়টি সামনে আসে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাদক কারবারি নয় মর্মে সার্টিফিকেট নিয়ে কৌশলে ব্যবসা করতো সে। তার ইয়াবা চালানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রত্যয়ন বাতিল করে। এর আগে গত মার্চ মাসে গ্রামের শালিসে ইয়াবা কারবারের কথা স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং ভবিষ্যতে করবেনা মর্মে মুচলেকা দেয় রেজাউল। পরে আবার গ্রামের প্রতিবাদকারীদের হুমকি ধমকিসহ বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দেয় রেজাউল। এসব বিষয় নিয়ে গত ২০ জুন মোহনপুর গ্রামে মাদকপ্রিরোধ সমাবেশ সদর থানার ওসি রতন শেখ রেজাউলের বিরুদ্ধে আইনগত ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী তাকে অভিনন্দন জানান। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে আইনের আওতায় না আসায় ক্ষুব্দ এলাকাবাসী বুধবার বিকেলে জয়নগরবাজারে পুলিশের সঙ্গে তাকে দেখে ধাওয়া দেন। ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় রেজাউল।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন,
গত ২০ জুন ওসি সাহেব গ্রামের সমাবেশে মাদক কারবারি রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষ মাদককারবারিকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে গেছে। পরে তারা আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করি।
সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর বলেন, আমি বাজারে সরকারি কাজে গিয়েছিলাম। একটি দোকানে বসার পর রেজাউল নামের এক ব্যক্তি ওখানে চলে আসে। আমি তাকে নিয়ে আসিনি। ##
০১.০৭.২৬

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মাদক কারবারি রেজাউল জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে গেছে।
বুধবার বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর জয়নগর বাজার গেলে মোহনপুর গ্রামের চানফর আলীর ছেলে রেজাউল করিম সুযোগ বুঝে এএসআইয়ের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটি রেজাউল করিমকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে আসে। পরে মোহনপুর মাদকপ্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারি ও মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মো. সেলিম ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম সদর থানার ওসিসহ পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেন। এবং পুলিশের প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য রেজাউলের ইয়াবা সেবন ও বিক্রির জন্য নিয়ে আসা ইয়াবার বড় চালানের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তার ইয়াবা কারবারের বিষয়টি সামনে আসে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাদক কারবারি নয় মর্মে সার্টিফিকেট নিয়ে কৌশলে ব্যবসা করতো সে। তার ইয়াবা চালানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রত্যয়ন বাতিল করে। এর আগে গত মার্চ মাসে গ্রামের শালিসে ইয়াবা কারবারের কথা স্বীকার করে ক্ষমা চায় এবং ভবিষ্যতে করবেনা মর্মে মুচলেকা দেয় রেজাউল। পরে আবার গ্রামের প্রতিবাদকারীদের হুমকি ধমকিসহ বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দেয় রেজাউল। এসব বিষয় নিয়ে গত ২০ জুন মোহনপুর গ্রামে মাদকপ্রিরোধ সমাবেশ সদর থানার ওসি রতন শেখ রেজাউলের বিরুদ্ধে আইনগত ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী তাকে অভিনন্দন জানান। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে আইনের আওতায় না আসায় ক্ষুব্দ এলাকাবাসী বুধবার বিকেলে জয়নগরবাজারে পুলিশের সঙ্গে তাকে দেখে ধাওয়া দেন। ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় রেজাউল।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন,
গত ২০ জুন ওসি সাহেব গ্রামের সমাবেশে মাদক কারবারি রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষ মাদককারবারিকে ধাওয়া দিলে সে পালিয়ে গেছে। পরে তারা আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করি।
সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর বলেন, আমি বাজারে সরকারি কাজে গিয়েছিলাম। একটি দোকানে বসার পর রেজাউল নামের এক ব্যক্তি ওখানে চলে আসে। আমি তাকে নিয়ে আসিনি। ##
০১.০৭.২৬

আপনার মতামত লিখুন