চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া শাহ আমানত নোমানিয়া কলেজ সংলগ্ন মন্দির ঘাট থেকে কল্পনা আবাসিকমুখী বেড়িবাঁধ সড়কে রাতের বেলায় চরম নিরাপত্তাহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
গতকাল বিকাল ৭টার দিকে ওই সড়ক দিয়ে কল্পনা আবাসিক ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক দুইজন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ছিনতাইকারীরা তাকে ডেকে নিয়ে নগদ ১৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাণের ভয়ে তিনি কল্পনা আবাসিক ঘাটের দিকে না গিয়ে মন্দির ঘাটের দিকে দৌড়ে প্রাণে বাঁচেন।
ঘটনার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে `সারাদেশ ৭১ অনলাইন পোর্টাল মাল্টিমিডিয়ার` সম্পাদক *মোঃ রাজু আহমেদ সহ আমাকে ওই ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় তৎক্ষণিকভাবে বাকুলিয়া থানা প্রশাসনে কোন সহযোগিতা পাইনি এবং বাকলিয়া থানার ওসি সাহেবের অফিসিয়াল নাম্বারে ফোন দেন। কিন্তু কয়েক ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও থানা থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ কর্মী বলেছে
রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে চারজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে আসেন। সাংবাদিক তাদের পুরো ঘটনা খুলে বলেন এবং "আপনারা আসার পর চোরেরা সাধু হয়ে যায়। আপনারা চলে গেলে আবার ছিনতাই শুরু করে।" পরে ওই চারজন পুলিশ দুই গাড়ি মোটরসাইকেলে সংবাদ কর্মের কথা কোন মূল্যায়ন করলো না সাংবাদিক সমাজে সমালোচনার জ্বর বয়সে জানা গেছে যে হামলা করে জানা গেছে যে হামলা করি পুলিশের ধোয়া ছোঁয়া বাহিরে থাকে
তিনি আরও বলেন, "এই এলাকায় জাহাজের কর্মকর্তাসহ দূর-দূরান্তের পর্যটকরা চলাচল করেন। রাত ৭টার পর এই বেড়িবাঁধ এলাকায় কারো নিরাপত্তা নেই চোর ও ছিনটেই কারি উতাল পাতাল করে। হোত পেতে থাকে
*তার দাবি:* "বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই রাস্তায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে হবে। সাংবাদিকরা আজ ছিনতাইয়ের শিকার হলে, কাল অন্য যে কেউ হতে পারে আপনাদের নিরাপত্তা আছে কিন্তু সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই এই রাস্তায় যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে
২৪ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিকের উপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। আসুন আমরা সকলে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেই।"

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া শাহ আমানত নোমানিয়া কলেজ সংলগ্ন মন্দির ঘাট থেকে কল্পনা আবাসিকমুখী বেড়িবাঁধ সড়কে রাতের বেলায় চরম নিরাপত্তাহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
গতকাল বিকাল ৭টার দিকে ওই সড়ক দিয়ে কল্পনা আবাসিক ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক দুইজন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ছিনতাইকারীরা তাকে ডেকে নিয়ে নগদ ১৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রাণের ভয়ে তিনি কল্পনা আবাসিক ঘাটের দিকে না গিয়ে মন্দির ঘাটের দিকে দৌড়ে প্রাণে বাঁচেন।
ঘটনার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে `সারাদেশ ৭১ অনলাইন পোর্টাল মাল্টিমিডিয়ার` সম্পাদক *মোঃ রাজু আহমেদ সহ আমাকে ওই ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় তৎক্ষণিকভাবে বাকুলিয়া থানা প্রশাসনে কোন সহযোগিতা পাইনি এবং বাকলিয়া থানার ওসি সাহেবের অফিসিয়াল নাম্বারে ফোন দেন। কিন্তু কয়েক ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও থানা থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ কর্মী বলেছে
রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেলে চারজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে আসেন। সাংবাদিক তাদের পুরো ঘটনা খুলে বলেন এবং "আপনারা আসার পর চোরেরা সাধু হয়ে যায়। আপনারা চলে গেলে আবার ছিনতাই শুরু করে।" পরে ওই চারজন পুলিশ দুই গাড়ি মোটরসাইকেলে সংবাদ কর্মের কথা কোন মূল্যায়ন করলো না সাংবাদিক সমাজে সমালোচনার জ্বর বয়সে জানা গেছে যে হামলা করে জানা গেছে যে হামলা করি পুলিশের ধোয়া ছোঁয়া বাহিরে থাকে
তিনি আরও বলেন, "এই এলাকায় জাহাজের কর্মকর্তাসহ দূর-দূরান্তের পর্যটকরা চলাচল করেন। রাত ৭টার পর এই বেড়িবাঁধ এলাকায় কারো নিরাপত্তা নেই চোর ও ছিনটেই কারি উতাল পাতাল করে। হোত পেতে থাকে
*তার দাবি:* "বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই রাস্তায় অবিলম্বে নজরদারি বাড়াতে হবে। সাংবাদিকরা আজ ছিনতাইয়ের শিকার হলে, কাল অন্য যে কেউ হতে পারে আপনাদের নিরাপত্তা আছে কিন্তু সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই এই রাস্তায় যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে
২৪ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিকের উপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। আসুন আমরা সকলে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেই।"

আপনার মতামত লিখুন