দৈনিক তরুন আলো

পলিথিনের নিচে হাঁটু পানিতে ক্লাস! "বিএনপির ট্যাগে" ১৬০ নং দৈহারী ও ভরতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালায় শিশু কমল মতি শিক্ষার্থীরা



পলিথিনের নিচে হাঁটু পানিতে ক্লাস! "বিএনপির ট্যাগে" ১৬০ নং দৈহারী ও ভরতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালায় শিশু কমল মতি শিক্ষার্থীরা

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ১৬০ নং দৈহারী ও ভরাতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের চিত্র এখন সবার সামনে। ভবনের নিচে সারা বছর পানি জমে থাকে, সাইডের দেয়াল ভেঙে যাচ্ছে। উপরে টিনের চালার ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে, তাই শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে পলিথিন টানিয়ে দিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোমলমতি শিশুরা পলিথিনের নিচে বসে ক্লাস করছে। ক্লাসরুমের ভিতরে জায়গায় জায়গায় পানি জমে আছে এতে মশা বেরিয়ে চলছে

*শিক্ষকদের কষ্ট:* 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, "খুব কষ্ট করে আমরা ছোট শিশু বাচ্চাদের নিয়ে ক্লাস চালাচ্ছি। ক্লাস করতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে।"

*শিশুর কান্না:* 

সাংবাদিক মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার এক শিশু শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, "আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে জানাচ্ছি, এই স্কুলটির বরাদ্দ হওয়া উচিত। উপরস্থ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি থাকুক।"

*রাজনীতির শিকার?* 

স্থানীয়ভাবে স্কুলটি "বিএনপির স্কুল" নামে পরিচিত থাকার কারণে এই ভবনের জন্য সরকারি বরাদ্দ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

*মানবিক আবেদন:* 

এলাকাবাসীর দাবি, রাজনীতি বাদ দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য অবিলম্বে সরকারিভাবে চমৎকার ও নিরাপদ একটি নতুন ভবনের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। আসুন সবাই মানবিকতা দিয়ে এগিয়ে আসি, যেন ছোট বাচ্চাদের মুখে হাসির রজনীগন্ধা ফুটে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক তরুন আলো

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


পলিথিনের নিচে হাঁটু পানিতে ক্লাস! "বিএনপির ট্যাগে" ১৬০ নং দৈহারী ও ভরতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালায় শিশু কমল মতি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image





পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ১৬০ নং দৈহারী ও ভরাতকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের চিত্র এখন সবার সামনে। ভবনের নিচে সারা বছর পানি জমে থাকে, সাইডের দেয়াল ভেঙে যাচ্ছে। উপরে টিনের চালার ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে, তাই শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে পলিথিন টানিয়ে দিয়েছেন।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোমলমতি শিশুরা পলিথিনের নিচে বসে ক্লাস করছে। ক্লাসরুমের ভিতরে জায়গায় জায়গায় পানি জমে আছে এতে মশা বেরিয়ে চলছে


*শিক্ষকদের কষ্ট:* 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, "খুব কষ্ট করে আমরা ছোট শিশু বাচ্চাদের নিয়ে ক্লাস চালাচ্ছি। ক্লাস করতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে।"


*শিশুর কান্না:* 

সাংবাদিক মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার এক শিশু শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, "আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে জানাচ্ছি, এই স্কুলটির বরাদ্দ হওয়া উচিত। উপরস্থ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি থাকুক।"


*রাজনীতির শিকার?* 

স্থানীয়ভাবে স্কুলটি "বিএনপির স্কুল" নামে পরিচিত থাকার কারণে এই ভবনের জন্য সরকারি বরাদ্দ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।


*মানবিক আবেদন:* 

এলাকাবাসীর দাবি, রাজনীতি বাদ দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য অবিলম্বে সরকারিভাবে চমৎকার ও নিরাপদ একটি নতুন ভবনের বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। আসুন সবাই মানবিকতা দিয়ে এগিয়ে আসি, যেন ছোট বাচ্চাদের মুখে হাসির রজনীগন্ধা ফুটে ওঠে।


দৈনিক তরুন আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: এমডি সিফাত হোসাইন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক তরুন আলো https://dailytarunalo.com/ সম্পাদক ও প্রকাশক এমডি : সিফাত হোসাইন https://www.facebook.com/share/1GNdTjcmxp/ অফিস ঠিকানা: ইম্পেরিয়াল আইরিশ কিংডম, লেভেল-০২ পশ্চিম মেরুল বাড্ডা, ঢাকা-১২১২.! যোগাযোগ : +880 1877-731864