দৈনিক তরুন আলো

লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র: উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবতায় রুপ নিবে কবে..?



লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র: উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবতায় রুপ নিবে কবে..?

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি ১৯৯৬ সালে নির্মিত হয়। তবে, দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের নামে অবহেলিত হওয়ায় পর্যটকরা নিরাশ হচ্ছেন।

এখানে রয়েছে ভিআইপি এবং পর্যটক ডাকবাংলো, পাহাড়ের চূড়ায় সু-উচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, লেক এবং শেড। এছাড়াও, গারো আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রা, সবুজ বনরাজি, উঁচু টিলা, পাখির কলরব দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। তবে, এখনও পর্যন্ত এখানে আধুনিক মানের রাইড, শিশু পার্ক এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের সুবিধা নেই এতে ভোগান্তিতে দুর থেকে আসা পর্যটকদের।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোটা অংকের টাকার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই বাজেটের মাধ্যমে কেন্দ্রটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা হবে।

*কিভাবে যাবেন*

- ঢাকা থেকে বকশীগঞ্জগামী বাসে উঠে বক- শীগঞ্জ চলে আসুন। বকশীগঞ্জ থেকে রিকশা বা ভ্যানে করে সহজে লাউচাপড়া পিকনিক স্পট যাওয়া যায়। ভাড়ার পরিমাণ ৪০-৪৫ টাকা।

- জামালপুর শহর থেকে বকশীগঞ্জ উপজেলা সদরে যাওয়ার জন্য বাস, সিএনজি এবং মোটরসাইকেল সার্ভিস রয়েছে। বকশীগঞ্জ থেকে লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য রিকশা বা ভ্যান ভাড়া পাওয়া যায় 

জেলা পরিষদ থেকে জানিয়েছেন, "লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি জামালপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। আমরা এই কেন্দ্রটির উন্নয়নের জন্য সকল প্রকার সহযোগিতা করব।"

পর্যটকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা জোরদার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা হলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পাওয়া যাবে।

লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং গারো উপজাতির সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য আদর্শ স্থান

*বাজেটের বিস্তারিত*

- অর্থবছর: ২০২৫-২৬

- কাজের বিবরণ: অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার, আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা এমন টাই জানিয়েছে জেলা পরিষদ

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক তরুন আলো

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬


লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র: উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবতায় রুপ নিবে কবে..?

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image





জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি ১৯৯৬ সালে নির্মিত হয়। তবে, দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের নামে অবহেলিত হওয়ায় পর্যটকরা নিরাশ হচ্ছেন।


এখানে রয়েছে ভিআইপি এবং পর্যটক ডাকবাংলো, পাহাড়ের চূড়ায় সু-উচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, লেক এবং শেড। এছাড়াও, গারো আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রা, সবুজ বনরাজি, উঁচু টিলা, পাখির কলরব দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। তবে, এখনও পর্যন্ত এখানে আধুনিক মানের রাইড, শিশু পার্ক এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের সুবিধা নেই এতে ভোগান্তিতে দুর থেকে আসা পর্যটকদের।


জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোটা অংকের টাকার বরাদ্দের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই বাজেটের মাধ্যমে কেন্দ্রটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা হবে।


*কিভাবে যাবেন*


- ঢাকা থেকে বকশীগঞ্জগামী বাসে উঠে বক- শীগঞ্জ চলে আসুন। বকশীগঞ্জ থেকে রিকশা বা ভ্যানে করে সহজে লাউচাপড়া পিকনিক স্পট যাওয়া যায়। ভাড়ার পরিমাণ ৪০-৪৫ টাকা।

- জামালপুর শহর থেকে বকশীগঞ্জ উপজেলা সদরে যাওয়ার জন্য বাস, সিএনজি এবং মোটরসাইকেল সার্ভিস রয়েছে। বকশীগঞ্জ থেকে লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য রিকশা বা ভ্যান ভাড়া পাওয়া যায় 


জেলা পরিষদ থেকে জানিয়েছেন, "লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি জামালপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। আমরা এই কেন্দ্রটির উন্নয়নের জন্য সকল প্রকার সহযোগিতা করব।"


পর্যটকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা জোরদার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা হলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পাওয়া যাবে।

লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্রটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং গারো উপজাতির সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য আদর্শ স্থান


*বাজেটের বিস্তারিত*


- অর্থবছর: ২০২৫-২৬

- কাজের বিবরণ: অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার, আধুনিক সেবা নিয়ে পর্যটকদের রাত্রী-যাপনের সুবিধা এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা করা এমন টাই জানিয়েছে জেলা পরিষদ


দৈনিক তরুন আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: এমডি সিফাত হোসাইন
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক তরুন আলো