স্টাফ রিপোর্টার,রাজশাহী
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের হিড়িক পড়েছে।
উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় একদিকে জমির উর্বরতা কমছে, অন্যদিকে ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের কারণে নষ্ট হচ্ছে পাকা সড়ক।অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় ‘প্রজেক্ট’ দেখিয়ে কৃষি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে।
পরে সেই জমির উর্বর মাটি ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই গোয়ালকান্দি, গণিপুর, ঝিকরা, মাড়িয়া, গোবিন্দপাড়া, নরদাশ, শুভডাঙ্গা ও সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে তিন ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।
এদিকে, ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের সময় সড়কের ওপর মাটি পড়ে পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেই মাটি কাঁদায় পরিণত হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
বৃষ্টির পরে বাজার ও সব সড়ক গুলোতে চলাচলের সময় প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে আহত হয়ে সুমন ও শাহীন আলমসহ ছয়জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি'ই করা হয়েছে।
বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা জানান, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
এ পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২১টি এক্সকাভেটর (ভেকু) ভেঙে অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষি জমি রক্ষা ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার,রাজশাহী
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের হিড়িক পড়েছে।
উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় একদিকে জমির উর্বরতা কমছে, অন্যদিকে ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের কারণে নষ্ট হচ্ছে পাকা সড়ক।অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় ‘প্রজেক্ট’ দেখিয়ে কৃষি জমিতে পুকুর খনন করা হচ্ছে।
পরে সেই জমির উর্বর মাটি ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই গোয়ালকান্দি, গণিপুর, ঝিকরা, মাড়িয়া, গোবিন্দপাড়া, নরদাশ, শুভডাঙ্গা ও সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে তিন ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।
এদিকে, ট্রাক্টরে মাটি পরিবহনের সময় সড়কের ওপর মাটি পড়ে পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সেই মাটি কাঁদায় পরিণত হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
বৃষ্টির পরে বাজার ও সব সড়ক গুলোতে চলাচলের সময় প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে আহত হয়ে সুমন ও শাহীন আলমসহ ছয়জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি'ই করা হয়েছে।
বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা জানান, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
এ পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২১টি এক্সকাভেটর (ভেকু) ভেঙে অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষি জমি রক্ষা ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন