বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এক নবমুসলিম যুবকের মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। মৃতদেহ সৎকার করা হবে না কী জানাযা হবে??
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৯ টায় উপজেলার আটজুড়ী ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ২০ বছর পূর্বে শুকলাল পোদ্দার (৪০) পিতা সুকলাল পোদ্দার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে, পরবর্তীতে তার নাম রাখা হয় কাজী সোহাগ।
পরে ইসলামি রিতিনিতি অনুযায়ী সুন্নতে খাতনা করে বিয়ে করেন গোপালগঞ্জ উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের মাঠলা গ্রামের আবুল ফজল মুন্সীর কন্যা মমতাজ মিমকে।
তাদের ১২ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বনিবনাদ না হওয়ায় তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানায় সোহাগের স্বজনেরা। শেষ তিন বৎসর সে তার মাকে নিয়ে রাই রসরাজ সেবা আশ্রমে থাকতেন।
ঘটনার দিন মোল্লাহাটের দত্ত ডাঙ্গা রাই রসরাজ সেবা আশ্রমে অবস্থান কালে স্ট্রোক করে। আশ্রমের লোকজন তাকে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এরপর হিন্দু সমাজের লোকজন তাকে মোল্লাহাট উপজেলার আটজুড়ি ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়ি শ্মশানে হিন্দু সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে পোড়ানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
এ সময় খবর পেয়ে ছুটে এসে তার স্ত্রী বাধা সৃষ্টি করে। তার দাবি সোহাগ সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাই ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী তার মরদেহ যথাযথ মর্যাদায় জানাজা এবং দাফন করা হবে। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন তার স্বামী সোহাগ কে হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে সোহাগের মা জনান তার ছেলের ধর্ম ত্যাগের বিষয় তিনি কিছুই জানেন না, তিনি আরো বলেন আমার ছেলে একটি মুসলিম মেয়েকে বিবাহ করে ছিলো তাকে ডিভোর্স দিয়েছে, অন্যদিকে ডিভোর্সের কাগজটি জাল বলে দাবি করেন সোহাগের স্ত্রী।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সোহাগের মরদেহ উত্তর আমবাড়ি শ্মশান থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন আসার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মরদেহ দাফন/সৎকারের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমাজসেবা অফিসারের সাথে পরামর্শ ক্রমে যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এক নবমুসলিম যুবকের মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। মৃতদেহ সৎকার করা হবে না কী জানাযা হবে??
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৯ টায় উপজেলার আটজুড়ী ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ২০ বছর পূর্বে শুকলাল পোদ্দার (৪০) পিতা সুকলাল পোদ্দার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে, পরবর্তীতে তার নাম রাখা হয় কাজী সোহাগ।
পরে ইসলামি রিতিনিতি অনুযায়ী সুন্নতে খাতনা করে বিয়ে করেন গোপালগঞ্জ উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের মাঠলা গ্রামের আবুল ফজল মুন্সীর কন্যা মমতাজ মিমকে।
তাদের ১২ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বনিবনাদ না হওয়ায় তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানায় সোহাগের স্বজনেরা। শেষ তিন বৎসর সে তার মাকে নিয়ে রাই রসরাজ সেবা আশ্রমে থাকতেন।
ঘটনার দিন মোল্লাহাটের দত্ত ডাঙ্গা রাই রসরাজ সেবা আশ্রমে অবস্থান কালে স্ট্রোক করে। আশ্রমের লোকজন তাকে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এরপর হিন্দু সমাজের লোকজন তাকে মোল্লাহাট উপজেলার আটজুড়ি ইউনিয়নের উত্তর আমবাড়ি শ্মশানে হিন্দু সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে পোড়ানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
এ সময় খবর পেয়ে ছুটে এসে তার স্ত্রী বাধা সৃষ্টি করে। তার দাবি সোহাগ সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাই ইসলাম ধর্মের রীতি অনুযায়ী তার মরদেহ যথাযথ মর্যাদায় জানাজা এবং দাফন করা হবে। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন তার স্বামী সোহাগ কে হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে সোহাগের মা জনান তার ছেলের ধর্ম ত্যাগের বিষয় তিনি কিছুই জানেন না, তিনি আরো বলেন আমার ছেলে একটি মুসলিম মেয়েকে বিবাহ করে ছিলো তাকে ডিভোর্স দিয়েছে, অন্যদিকে ডিভোর্সের কাগজটি জাল বলে দাবি করেন সোহাগের স্ত্রী।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সোহাগের মরদেহ উত্তর আমবাড়ি শ্মশান থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন আসার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মরদেহ দাফন/সৎকারের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমাজসেবা অফিসারের সাথে পরামর্শ ক্রমে যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন