বাপসনিউজঃ জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শতাধিক সিনিয়র সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত ও বহিষ্কারে চাপ সৃষ্টি, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস (বিএফইউজে) অফিসে মালামাল লুটপাট করে কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলা এবং চার শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে নেতৃত্ব দেওয়া জামায়াতপন্থী সাংবাদিক নেতা খন্দকার আলমগীর নারী ধর্ষণের অভিযোগে সব সাংবাদিক সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বার্তা সংস্থা বাপসনিউজকে জানায়, নারী ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাকে বহিষ্কার করে। এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে এটিকে ‘সৃষ্টিকর্তার বিচার শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।খবর আইবিএননিউজ।
খন্দকার আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত-শিবিরপন্থী হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে। প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনে তাঁর অনুসারীরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিকদের হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, ধর্ষণের অভিযোগে বহিষ্কারের ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে বলছেন, এখন মানুষের আইনি বিচার বাকি রয়েছে। খন্দকার আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
বাপসনিউজঃ জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শতাধিক সিনিয়র সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত ও বহিষ্কারে চাপ সৃষ্টি, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস (বিএফইউজে) অফিসে মালামাল লুটপাট করে কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলা এবং চার শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে নেতৃত্ব দেওয়া জামায়াতপন্থী সাংবাদিক নেতা খন্দকার আলমগীর নারী ধর্ষণের অভিযোগে সব সাংবাদিক সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বার্তা সংস্থা বাপসনিউজকে জানায়, নারী ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাকে বহিষ্কার করে। এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে এটিকে ‘সৃষ্টিকর্তার বিচার শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।খবর আইবিএননিউজ।
খন্দকার আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত-শিবিরপন্থী হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে। প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনে তাঁর অনুসারীরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিকদের হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, ধর্ষণের অভিযোগে বহিষ্কারের ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে বলছেন, এখন মানুষের আইনি বিচার বাকি রয়েছে। খন্দকার আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন