বরগুনার আমতলী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ধারী মোঃ জনি গাজী ও সুজন হাওলাদার নামে দুইজনকে আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১,৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যুক্ত করুন) উপজেলার বটতলা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আমতলী থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগের ভিত্তিতে নজরদারি করা হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দুইজনকে হাতে-নাতে আটক করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বটতলা এলাকায় এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলেন, মাদকের বিস্তার তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
আমতলী থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস, এর সরবরাহকারী চক্র এবং এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে একজনের আটকের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ বলছে, মাদক নির্মূলে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বরগুনার আমতলী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ধারী মোঃ জনি গাজী ও সুজন হাওলাদার নামে দুইজনকে আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১,৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যুক্ত করুন) উপজেলার বটতলা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আমতলী থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগের ভিত্তিতে নজরদারি করা হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দুইজনকে হাতে-নাতে আটক করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বটতলা এলাকায় এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলেন, মাদকের বিস্তার তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
আমতলী থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস, এর সরবরাহকারী চক্র এবং এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে একজনের আটকের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ বলছে, মাদক নির্মূলে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন