দেখতে সাধারণ একটি নির্বাচনী ব্যানার। কিন্তু ভালো করে তাকাতেই চোখ কপালে উঠছে অনেকের। ব্যানারের এক পাশে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, অন্য পাশে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি এবং আরেক পাশে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি স্থান পেয়েছে। মাঝখানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রচারণা চালিয়েছেন রনি মাঝি নামের এক যুবক।
ব্যানারটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউ আবার হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করে বিষয়টিকে ট্রলের উপকরণ বানিয়েছেন।
জানা গেছে, রনি মাঝি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে ঘড়িষার বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যানার ও ফেস্টুন তৈরি করেন তিনি। তবে ব্যানারে দেশের ভিন্নধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবি একসঙ্গে ব্যবহার করায় বিষয়টি দ্রুতই মানুষের নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ব্যানারটির ছবি শেয়ার করে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। কেউ লিখেছেন, “দুই রাজনৈতিক ধারার নেতাদের ছবি যখন একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে, তখন দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের ছবিই দেওয়া যেত।” আবার কেউ এটিকে ‘সর্বদলীয় নির্বাচনী ব্যানার’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক সচেতন মহলের কেউ কেউ বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী প্রচারণা হিসেবে দেখলেও বেশিরভাগ নেটিজেন এটিকে হাস্যরসের চোখে দেখছেন। তাদের মতে, প্রচারণায় আলোচনায় আসতেই এমন ব্যতিক্রমী ব্যানার ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে ব্যানারটি নিয়ে আলোচনা যতই বাড়ছে, ততই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাড়ছে মন্তব্য, ট্রল ও হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়ার সংখ্যা। ফলে স্থানীয় পর্যায়ের একটি নির্বাচনী প্রচারণা এখন পরিণত হয়েছে নেট দুনিয়ার আলোচিত এক ঘটনায়।
আবু আলম (রাকিব)

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দেখতে সাধারণ একটি নির্বাচনী ব্যানার। কিন্তু ভালো করে তাকাতেই চোখ কপালে উঠছে অনেকের। ব্যানারের এক পাশে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, অন্য পাশে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি এবং আরেক পাশে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি স্থান পেয়েছে। মাঝখানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রচারণা চালিয়েছেন রনি মাঝি নামের এক যুবক।
ব্যানারটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউ আবার হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করে বিষয়টিকে ট্রলের উপকরণ বানিয়েছেন।
জানা গেছে, রনি মাঝি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে ঘড়িষার বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যানার ও ফেস্টুন তৈরি করেন তিনি। তবে ব্যানারে দেশের ভিন্নধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবি একসঙ্গে ব্যবহার করায় বিষয়টি দ্রুতই মানুষের নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ব্যানারটির ছবি শেয়ার করে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। কেউ লিখেছেন, “দুই রাজনৈতিক ধারার নেতাদের ছবি যখন একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে, তখন দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের ছবিই দেওয়া যেত।” আবার কেউ এটিকে ‘সর্বদলীয় নির্বাচনী ব্যানার’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক সচেতন মহলের কেউ কেউ বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী প্রচারণা হিসেবে দেখলেও বেশিরভাগ নেটিজেন এটিকে হাস্যরসের চোখে দেখছেন। তাদের মতে, প্রচারণায় আলোচনায় আসতেই এমন ব্যতিক্রমী ব্যানার ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে ব্যানারটি নিয়ে আলোচনা যতই বাড়ছে, ততই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাড়ছে মন্তব্য, ট্রল ও হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়ার সংখ্যা। ফলে স্থানীয় পর্যায়ের একটি নির্বাচনী প্রচারণা এখন পরিণত হয়েছে নেট দুনিয়ার আলোচিত এক ঘটনায়।
আবু আলম (রাকিব)

আপনার মতামত লিখুন