শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভাঙনকবলিত মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবুপুর ফেরিঘাট এলাকায় জরুরি নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ অপু বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, “শুধু জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।”
হুইপ অপু আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শরীয়তপুরকে একটি আধুনিক ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধারাবাহিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার দাঁড়িয়েছে।”
তিনি জানান, মাত্র তিন মাসের মধ্যেই জরুরি এই কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হওয়ায় তিনি সরকার, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও নদীভাঙন আতঙ্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের দাবি ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ফলে স্থানীয়রা এখন কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান, গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুশরাত আরা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান, গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভাঙনকবলিত মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবুপুর ফেরিঘাট এলাকায় জরুরি নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ অপু বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। ভাঙনকবলিত এলাকায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, “শুধু জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।”
হুইপ অপু আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শরীয়তপুরকে একটি আধুনিক ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধারাবাহিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার দাঁড়িয়েছে।”
তিনি জানান, মাত্র তিন মাসের মধ্যেই জরুরি এই কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হওয়ায় তিনি সরকার, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও নদীভাঙন আতঙ্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের দাবি ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ফলে স্থানীয়রা এখন কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান, গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুশরাত আরা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান, গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন