ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানির প্রভাবে দ্রুত বাড়ছে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বুক চিরে প্রবাহিত দুধকুমার নদের পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীটির পানি ৬৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় দুধকুমার নদের পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিন একই সময়ে পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ১১ মিটার। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৬০ মিটার। একই সময়ে পাটেশ্বরী এলাকায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতোমধ্যে নদী অববাহিকার বিভিন্ন চর ও ডুবোচরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
দুধকুমার নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা জুলহাস, ফরিদুল ও আমজাদ জানান, “যে হারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। আমরা বন্যার আশঙ্কায় রয়েছি। একই সঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্কেও দিন কাটছে।”
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।”
স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
##
২১.০৬.২০২৬

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানির প্রভাবে দ্রুত বাড়ছে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বুক চিরে প্রবাহিত দুধকুমার নদের পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীটির পানি ৬৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় দুধকুমার নদের পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানির উচ্চতা ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিন একই সময়ে পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ১১ মিটার। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৬০ মিটার। একই সময়ে পাটেশ্বরী এলাকায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতোমধ্যে নদী অববাহিকার বিভিন্ন চর ও ডুবোচরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
দুধকুমার নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা জুলহাস, ফরিদুল ও আমজাদ জানান, “যে হারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। আমরা বন্যার আশঙ্কায় রয়েছি। একই সঙ্গে নদীভাঙনের আতঙ্কেও দিন কাটছে।”
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।”
স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
##
২১.০৬.২০২৬

আপনার মতামত লিখুন