গাজীপুরের কাশিমপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা, মারধর, অবরুদ্ধ করে রাখা এবং মোবাইল ফোন থেকে তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হয়েছে। তবে মামলার ২ নম্বর আসামি কাশিমপুর থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিকদের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ নম্বর আসামি মো. আনোয়ারুল (৩০)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি কাশিমপুর থানার বারেন্দা মোল্লা মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুন বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে কাশিমপুর এলাকায় একটি বহুতল ভবনে চলমান অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী। এ সময় অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়, মারধর করে এবং অবরুদ্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তাতে ধারণকৃত ভিডিওচিত্র, ছবি ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পরে কাশিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
কাশিমপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হলেও ২ নম্বর আসামি কাশিমপুর থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত সকল আসামির দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা, তথ্য সংগ্রহে বাধা এবং তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করার ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
গাজীপুরের কাশিমপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা, মারধর, অবরুদ্ধ করে রাখা এবং মোবাইল ফোন থেকে তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হয়েছে। তবে মামলার ২ নম্বর আসামি কাশিমপুর থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিকদের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ নম্বর আসামি মো. আনোয়ারুল (৩০)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি কাশিমপুর থানার বারেন্দা মোল্লা মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুন বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে কাশিমপুর এলাকায় একটি বহুতল ভবনে চলমান অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী। এ সময় অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়, মারধর করে এবং অবরুদ্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তাতে ধারণকৃত ভিডিওচিত্র, ছবি ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পরে কাশিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
কাশিমপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হলেও ২ নম্বর আসামি কাশিমপুর থানা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেনসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত সকল আসামির দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা, তথ্য সংগ্রহে বাধা এবং তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করার ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।

আপনার মতামত লিখুন