, বাপসনিউজঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার প্রতি দেশের মানুষের আস্থা এখনো অটুট বিরাজমান।যতই দিন যাচ্ছে জাতীয় জীবনে শেখ হাসিনার প্রয়োজনীয়তা ততই বেশি অনুভূত হচ্ছে।
গত ৩০ জুন (মঙ্গলবার) বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী সাংবাদিক, কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সংগঠন “স্মরণে ৭১, হৃদয়ে বাংলাদেশ” গ্রুপে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।খবর আইবিএননিউজ ।
রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই, এই চিরসত্য কথা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে গেঁথে গেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশ পরিচালনায় সক্ষমতা, কমিটমেন্ট, সাহস ও বিক্রম শেখ হাসিনার মধ্যে রয়েছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে এটা উপলব্ধি হচ্ছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজনীতির মাঠে পিছিয়ে আছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয় – তাদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, আর এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই।
৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভয়ে আন্দোলন দমাতে সেনাবাহিনী নামিয়ে সরকার প্রমাণ করেছে তারা কতটা দুর্বল। ওবায়দুল কাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন সামনের লড়াই খুব একটা সহজ হবে না – তাই প্রতিটি মূহুর্তে যার যার অবস্থান থেকে সতর্ক এবং সজাগ থাকতে হবে।
তারেক রহমানের ভারত বিরোধিতা এবং পাকিস্তান, চীনের সাথে সম্পর্ক এখন আবার তুরস্ককে নতুন বন্ধু হিসেবে পেয়েছে, এই তিন রাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে খেলছে। যুক্তরাষ্ট্র তো খেলেই যাচ্ছে, তাই এই লড়াইটা আমাদের অস্তিত্বের – এই লড়াইয়ে জিততে হবে এবং দেশ বাঁচাতে প্রস্তুতি নিতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জুলাই- আগস্টের ষড়যন্ত্র, জঙ্গি উত্থান এবং ৫ আগস্টের প্রতারণার পোস্টার, যার পুরোভাগে ছিলো আমাদের দেশেরই একজন বাটপার। যার নাম ইউনুস। তার সবকিছুই প্রতারণায় ভরা।বিদেশি প্রভুদের মদদে ক্ষমতার মঞ্চে নায়ক হয় আছেন। পরবর্তীতে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া এবং মবের জনক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেই ক্ষান্ত হননি, এখনো বিদেশে বসে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।
ওবায়দুল কাদের জানান, শেখ হাসিনা বলেছেন-“পরাজিত হবার জন্য আমার জন্ম হয়নি”-এটা কত বড় মূল্যবান বক্তব্য।
পরাজয়ের জন্য মানুষের জন্ম হয় না – ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রী সাহসের সাথে বলেছেন তিনি দেশে ফিরবেন, এই কথা তিনি আবেগে বলেননি, তিনি বুঝেশুনে বলেছেন। এই ঘোষণার দিনক্ষণ বলতে চলতি বছরের মধ্যে বলেছেন। ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার বিরুদ্ধে যারা গঠনমূলক সমালোচনা করেন তাদের স্বাগত জানাই।
তিনি স্মরণ করে দিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন আন্দোলন চলে তখন আমার বক্তব্য কিছু কিছু মিডিয়া উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে বিকৃত করে প্রচার করে – যেভাবে বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার হয়েছে এর বিরুদ্ধে ওবায়দুল কাদের চ্যালেঞ্জ করে আবারও সাংবাদিকদের উদ্দেশে জানান “আন্দোলন দমনের জন্য ছাত্রলীগ যথেষ্ট” – এমন কথা আমি বলিনি। এখনো কারো যদি আমার কথা বিশ্বাস না হয় তাহলে সেই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করার আহবান জানাচ্ছি, মিডিয়া গুলোতে বক্তব্য এখনো সংরক্ষিত আছে, শুনে নিতে পারেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সেদিন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কত বড় মিথ্যা প্রচারিত করা হয়েছে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার একটা বক্তব্যকেও সেদিন বিকৃত করা হয়েছিল – “আন্দোলনকারী ছাত্রদের রাজাকার” বলেছেন, এমন বিকৃত বক্তব্য আন্দোলনের শক্তি যোগানের মিথ্যা নাটক প্রদর্শিত হয়েছে। নেত্রীও এমন বক্তব্য বলেননি – নেত্রীর এই বক্তব্যও আমার মনে হয় সাংবাদিকদের সত্যের খাতিরে পুনরায় শোনা উচিত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ আমরা অনেক মামলার মুখোমুখি। ৭১’এ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি, তখন দেশ স্বাধীন করার জন্য অস্ত্র হাতে নিয়েছি। কিন্তু স্বাধীনতার পর আজ পর্যন্ত কাউকে হত্যা করেছি তা জীবনে চিন্তাও করিনি – অথচ আমার বিরুদ্ধে চারশো’র বেশি মামলা। এই মামলাগুলো খুনের মামলা।
ঠিক একই ভাবে একজন দেশপ্রেমিক নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও ছয়শো’র বেশি মামলা- এক মামলায় তো তাঁকে মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন।
ওবায়দুল কাদের নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কত কথাই না বলা হয় কিন্তু আমি জানি আমি কে, আমি কি? সমালোচকদের কাছে এটাই আমার জবাব।
অনেকেই আমাকে আওয়ামী লীগের বটবৃক্ষ বলে সম্মানিত করে কিন্তু আমি এটা প্রত্যাহার করছি।
আওয়ামী লীগ তথা এদেশের বটবৃক্ষ হলেন দুজন, তাদের একজন হলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জন্য বঙ্গবন্ধু, আর একজন হলেন অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য শেখ হাসিনা। এ দুজনেই দুটি বটবৃক্ষ।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষের সভাপতিত্বে এবং কবি ও সাংবাদিক শফিক বাবু’র সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
, বাপসনিউজঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি শেখ হাসিনার প্রতি দেশের মানুষের আস্থা এখনো অটুট বিরাজমান।যতই দিন যাচ্ছে জাতীয় জীবনে শেখ হাসিনার প্রয়োজনীয়তা ততই বেশি অনুভূত হচ্ছে।
গত ৩০ জুন (মঙ্গলবার) বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী সাংবাদিক, কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সংগঠন “স্মরণে ৭১, হৃদয়ে বাংলাদেশ” গ্রুপে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।খবর আইবিএননিউজ ।
রাষ্ট্র পরিচালনায় শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই, এই চিরসত্য কথা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে গেঁথে গেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশ পরিচালনায় সক্ষমতা, কমিটমেন্ট, সাহস ও বিক্রম শেখ হাসিনার মধ্যে রয়েছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে এটা উপলব্ধি হচ্ছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজনীতির মাঠে পিছিয়ে আছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয় – তাদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, আর এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই।
৭৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভয়ে আন্দোলন দমাতে সেনাবাহিনী নামিয়ে সরকার প্রমাণ করেছে তারা কতটা দুর্বল। ওবায়দুল কাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন সামনের লড়াই খুব একটা সহজ হবে না – তাই প্রতিটি মূহুর্তে যার যার অবস্থান থেকে সতর্ক এবং সজাগ থাকতে হবে।
তারেক রহমানের ভারত বিরোধিতা এবং পাকিস্তান, চীনের সাথে সম্পর্ক এখন আবার তুরস্ককে নতুন বন্ধু হিসেবে পেয়েছে, এই তিন রাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে খেলছে। যুক্তরাষ্ট্র তো খেলেই যাচ্ছে, তাই এই লড়াইটা আমাদের অস্তিত্বের – এই লড়াইয়ে জিততে হবে এবং দেশ বাঁচাতে প্রস্তুতি নিতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জুলাই- আগস্টের ষড়যন্ত্র, জঙ্গি উত্থান এবং ৫ আগস্টের প্রতারণার পোস্টার, যার পুরোভাগে ছিলো আমাদের দেশেরই একজন বাটপার। যার নাম ইউনুস। তার সবকিছুই প্রতারণায় ভরা।বিদেশি প্রভুদের মদদে ক্ষমতার মঞ্চে নায়ক হয় আছেন। পরবর্তীতে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া এবং মবের জনক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেই ক্ষান্ত হননি, এখনো বিদেশে বসে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন।
ওবায়দুল কাদের জানান, শেখ হাসিনা বলেছেন-“পরাজিত হবার জন্য আমার জন্ম হয়নি”-এটা কত বড় মূল্যবান বক্তব্য।
পরাজয়ের জন্য মানুষের জন্ম হয় না – ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রী সাহসের সাথে বলেছেন তিনি দেশে ফিরবেন, এই কথা তিনি আবেগে বলেননি, তিনি বুঝেশুনে বলেছেন। এই ঘোষণার দিনক্ষণ বলতে চলতি বছরের মধ্যে বলেছেন। ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার বিরুদ্ধে যারা গঠনমূলক সমালোচনা করেন তাদের স্বাগত জানাই।
তিনি স্মরণ করে দিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন আন্দোলন চলে তখন আমার বক্তব্য কিছু কিছু মিডিয়া উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে বিকৃত করে প্রচার করে – যেভাবে বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার হয়েছে এর বিরুদ্ধে ওবায়দুল কাদের চ্যালেঞ্জ করে আবারও সাংবাদিকদের উদ্দেশে জানান “আন্দোলন দমনের জন্য ছাত্রলীগ যথেষ্ট” – এমন কথা আমি বলিনি। এখনো কারো যদি আমার কথা বিশ্বাস না হয় তাহলে সেই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করার আহবান জানাচ্ছি, মিডিয়া গুলোতে বক্তব্য এখনো সংরক্ষিত আছে, শুনে নিতে পারেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সেদিন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কত বড় মিথ্যা প্রচারিত করা হয়েছে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার একটা বক্তব্যকেও সেদিন বিকৃত করা হয়েছিল – “আন্দোলনকারী ছাত্রদের রাজাকার” বলেছেন, এমন বিকৃত বক্তব্য আন্দোলনের শক্তি যোগানের মিথ্যা নাটক প্রদর্শিত হয়েছে। নেত্রীও এমন বক্তব্য বলেননি – নেত্রীর এই বক্তব্যও আমার মনে হয় সাংবাদিকদের সত্যের খাতিরে পুনরায় শোনা উচিত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ আমরা অনেক মামলার মুখোমুখি। ৭১’এ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি, তখন দেশ স্বাধীন করার জন্য অস্ত্র হাতে নিয়েছি। কিন্তু স্বাধীনতার পর আজ পর্যন্ত কাউকে হত্যা করেছি তা জীবনে চিন্তাও করিনি – অথচ আমার বিরুদ্ধে চারশো’র বেশি মামলা। এই মামলাগুলো খুনের মামলা।
ঠিক একই ভাবে একজন দেশপ্রেমিক নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও ছয়শো’র বেশি মামলা- এক মামলায় তো তাঁকে মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন।
ওবায়দুল কাদের নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কত কথাই না বলা হয় কিন্তু আমি জানি আমি কে, আমি কি? সমালোচকদের কাছে এটাই আমার জবাব।
অনেকেই আমাকে আওয়ামী লীগের বটবৃক্ষ বলে সম্মানিত করে কিন্তু আমি এটা প্রত্যাহার করছি।
আওয়ামী লীগ তথা এদেশের বটবৃক্ষ হলেন দুজন, তাদের একজন হলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জন্য বঙ্গবন্ধু, আর একজন হলেন অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য শেখ হাসিনা। এ দুজনেই দুটি বটবৃক্ষ।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষের সভাপতিত্বে এবং কবি ও সাংবাদিক শফিক বাবু’র সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

আপনার মতামত লিখুন