কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জামতলা মোড়ে অভিযান চালিয়ে একটি অটোভ্যান থেকে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদক বহনের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকা থেকে আসা একটি অটোভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা তিনটি লাল প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. গোলাপ হোসেন (৩২), পিতা: মো. মজিবর হোসেন, মাতা: মোছা. গোলাপি বেগম এবং মো. সিরাজুল ইসলাম (২৩), পিতা: মো. আব্দুর রহিম, মাতা: ইছাতন বেগম। তাদের উভয়ের বাড়ি উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, পাথরডুবি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের অন্যতম একটি রুট হিসেবে চিহ্নিত। এ রুটে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার এবং দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
##
০৬.০৭.২০২৬

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জামতলা মোড়ে অভিযান চালিয়ে একটি অটোভ্যান থেকে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদক বহনের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকা থেকে আসা একটি অটোভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা তিনটি লাল প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. গোলাপ হোসেন (৩২), পিতা: মো. মজিবর হোসেন, মাতা: মোছা. গোলাপি বেগম এবং মো. সিরাজুল ইসলাম (২৩), পিতা: মো. আব্দুর রহিম, মাতা: ইছাতন বেগম। তাদের উভয়ের বাড়ি উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, পাথরডুবি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের অন্যতম একটি রুট হিসেবে চিহ্নিত। এ রুটে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার এবং দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
##
০৬.০৭.২০২৬

আপনার মতামত লিখুন