কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, এমটি কার্টিজ (ফাঁকা কার্তুজ) ও গান পাউডার উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই দিন সকাল ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন মহেশখালিয়া পাড়া এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে একটি সন্দেহভাজন বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ৩ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩৭ রাউন্ড এমটি কার্টিজ (ফাঁকা কার্তুজ) এবং ২৫ গ্রাম গান পাউডার উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের সময় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা আলামত জব্দ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে ভবিষ্যতেও সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, এমটি কার্টিজ (ফাঁকা কার্তুজ) ও গান পাউডার উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই দিন সকাল ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন মহেশখালিয়া পাড়া এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে একটি সন্দেহভাজন বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ৩ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩৭ রাউন্ড এমটি কার্টিজ (ফাঁকা কার্তুজ) এবং ২৫ গ্রাম গান পাউডার উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের সময় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা আলামত জব্দ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে ভবিষ্যতেও সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন