যশোর সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ৪৭টি ভারতীয় শাড়ি, ৮২ প্যাকেট ফুসকা, ৫ প্যাকেট কিসমিস, ৫ প্যাকেট সোনপাপড়ি, ৮৪৭টি চকলেট এবং ২১২টি কসমেটিক্স সামগ্রী। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৯৯ হাজার ১০০ টাকা।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
যশোর সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ৪৭টি ভারতীয় শাড়ি, ৮২ প্যাকেট ফুসকা, ৫ প্যাকেট কিসমিস, ৫ প্যাকেট সোনপাপড়ি, ৮৪৭টি চকলেট এবং ২১২টি কসমেটিক্স সামগ্রী। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৯৯ হাজার ১০০ টাকা।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন