পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ মজুদ ও ভেজাল দুধ উৎপাদনের অভিযোগে আশরাফুল আলী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মো. নুর ইসলামের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত উপকরণের মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডা, নন-ডেইরি উপাদানসহ অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব উপাদান ব্যবহার করে ভেজাল দুধ প্রস্তুত করা হতো।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আশরাফুল আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এ সময় অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজমের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা। ওসি সাকিউল আজম বলেন, "জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ মজুদ ও ভেজাল দুধ উৎপাদনের অভিযোগে আশরাফুল আলী (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মো. নুর ইসলামের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত উপকরণের মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডা, নন-ডেইরি উপাদানসহ অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব উপাদান ব্যবহার করে ভেজাল দুধ প্রস্তুত করা হতো।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুজ্জামান। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আশরাফুল আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এ সময় অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আজমের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা। ওসি সাকিউল আজম বলেন, "জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন