কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া দুই বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশের অভিযানে এক বস্তা চকলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে ভূরুঙ্গামারী সদর এলাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পাশের একটি গলিতে অটোরিকশাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় অটোরিকশা থেকে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বলে অভিযোগ থাকা দুই বস্তা কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বিএনপি কর্মী আরিফ হোসেন জোরপূর্বক চকলেটের বস্তা দুটি নিজের জিম্মায় নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আটক হওয়া অটোরিকশায় থাকা কাজী মারুফ তাদের কাছে স্বীকার করেন যে চকলেটগুলো সীমান্ত এলাকা থেকে আরিফ হোসেনের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে আরিফ হোসেন ঘটনাস্থলে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে অটোরিকশাসহ চকলেট নিয়ে যান বলে অভিযোগ তাদের।
পরে বিষয়টি ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনকে জানানো হলে তাঁর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাতেই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এক বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার সকালে সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, অভিযানে এক বস্তা চকলেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরিফ হোসেন নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর কার্যালয়ে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মণ্ডল জানান, আরিফ হোসেন বিএনপির একজন কর্মী। তবে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে দাবি করেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া দুই বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশের অভিযানে এক বস্তা চকলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে ভূরুঙ্গামারী সদর এলাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পাশের একটি গলিতে অটোরিকশাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় অটোরিকশা থেকে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বলে অভিযোগ থাকা দুই বস্তা কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বিএনপি কর্মী আরিফ হোসেন জোরপূর্বক চকলেটের বস্তা দুটি নিজের জিম্মায় নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আটক হওয়া অটোরিকশায় থাকা কাজী মারুফ তাদের কাছে স্বীকার করেন যে চকলেটগুলো সীমান্ত এলাকা থেকে আরিফ হোসেনের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে আরিফ হোসেন ঘটনাস্থলে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে অটোরিকশাসহ চকলেট নিয়ে যান বলে অভিযোগ তাদের।
পরে বিষয়টি ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনকে জানানো হলে তাঁর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাতেই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এক বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার সকালে সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, অভিযানে এক বস্তা চকলেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরিফ হোসেন নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর কার্যালয়ে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মণ্ডল জানান, আরিফ হোসেন বিএনপির একজন কর্মী। তবে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন