বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার পশ্চিম বাজিকরের খন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোংলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মৃধা ফারুকুল ইসলামকে আসামি করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মৃধা ফারুকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মোংলা উপজেলায় একজন পরিচিত সমাজসেবক ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ করে আসছেন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
তাদের দাবি, তার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে ফারুকুল ইসলামের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। পূর্ব থেকে চলমান একটি স্থানীয় বিরোধের জের ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানমের স্বামী মৃধা তরিকের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী বিরোধের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা দাবি করেন।
বিবৃতিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী বলেন, একজন সম্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এভাবে মামলায় জড়ানো শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক একটি পদক্ষেপ। এ ধরনের ঘটনা এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং নিরপরাধ ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তারা জোর দিয়ে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে। কোনো পক্ষপাতমূলক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, তদন্তে সব পক্ষের বক্তব্য, প্রমাণ ও ঘটনাস্থলের বাস্তবতা গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেওয়া হোক।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে “মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা” প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে মোংলা থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার পশ্চিম বাজিকরের খন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মোংলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মৃধা ফারুকুল ইসলামকে আসামি করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মৃধা ফারুকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মোংলা উপজেলায় একজন পরিচিত সমাজসেবক ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ করে আসছেন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
তাদের দাবি, তার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে ফারুকুল ইসলামের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। পূর্ব থেকে চলমান একটি স্থানীয় বিরোধের জের ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজমী খানমের স্বামী মৃধা তরিকের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী বিরোধের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা দাবি করেন।
বিবৃতিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী বলেন, একজন সম্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এভাবে মামলায় জড়ানো শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানিমূলক একটি পদক্ষেপ। এ ধরনের ঘটনা এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং নিরপরাধ ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তারা জোর দিয়ে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে। কোনো পক্ষপাতমূলক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, তদন্তে সব পক্ষের বক্তব্য, প্রমাণ ও ঘটনাস্থলের বাস্তবতা গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেওয়া হোক।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে “মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা” প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে মোংলা থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন